1. manjurmesbah83@gmail.com : admin2020 :
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ন

বিদেশি বাহিনীর জন্য ইরানের উপকূল হবে নরক: অ্যাডমিরাল সাইয়ারি

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৩০ Time View

ইরানের সেনাবাহিনীর উপ-সমন্বয়কারী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, শত্রুপক্ষ ভালো করেই জানে যে ইরানের উপকূলে সেনা নামালে তারা এমন এক নরকে প্রবেশ করবে, যেখান থেকে ফিরে আসার কোনো পথ থাকবে না। মূলত যেকোনো বিদেশি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইরানের উপকূলে যে শত্রুদের জন্য একটি মরণফাঁদ অপেক্ষা করছে, সেই মূল বার্তাটিই তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন। সম্প্রতি ইসরাইলি বাহিনীর চালানো বর্বর হত্যাকাণ্ড ও আগ্রাসনের মুখে পুরো অঞ্চলে যখন এক চরম সঙ্কট তৈরি হয়েছে, ঠিক তখনই ইরানের পক্ষ থেকে এই কড়া বার্তা এলো। ইরানের মেহের বার্তা সংস্থা বুধবার (৮ জুলাই) জানিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে জাতিসঙ্ঘের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর নিষ্ক্রিয়তার বিপরীতে ইরান নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কতটা দৃঢ়, তা এই হুঁশিয়ারিতে ফুটে উঠেছে।

ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ ও উপ-সমন্বয়কারী রিয়ার অ্যাডমিরাল হাবিবুল্লাহ সাইয়ারি দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের চ্যানেল ওয়ানের একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এই মন্তব্য করেন। ইরানের প্রয়াত নেতার স্মরণে পুরো মুসলিম বিশ্বের প্রতি শোক প্রকাশ করে তিনি বিশ্বজুড়ে নৌ-শক্তি এবং সমুদ্রভিত্তিক উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর প্রায় ৭০ শতাংশ পানি পরিবেষ্টিত। আমাদের প্রিয় ইরানের ভৌগোলিক অবস্থান এমন যে উত্তর ও দক্ষিণ উভয় দিক দিয়েই আমাদের সমুদ্রে যাতায়াতের সুযোগ রয়েছে এবং আমাদের প্রায় ২,৭০০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলরেখা আছে।’

সমুদ্রের বিপুল সম্পদকে কাজে লাগানোর ওপর জোর দিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘ইরানসহ যেসব দেশের সমুদ্রে যোগাযোগের সুবিধা আছে, তাদের প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি সমুদ্রপথেই হয়। কারণ অন্য যেকোনো মাধ্যমের চেয়ে সমুদ্রপথে বাণিজ্য করা অনেক সহজ ও সাশ্রয়ী। এছাড়া সমুদ্র থেকে খাদ্য সংস্থান এবং বায়ু ও তরঙ্গের মতো বিভিন্ন নবায়নযোগ্য শক্তি পাওয়া যায়। সমুদ্র হলো ক্ষমতা ও সম্পদের উৎস, যা বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেছে।’

সেনাবাহিনীর এই উপ-সমন্বয়কারী ইরানের বিগত বছরগুলোর নীতিনির্ধারণী লড়াইয়ের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘১৯৮৯ সালে দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব বলেছিলেন যে সমুদ্র দেশের সামগ্রিক নীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি দেশের অগ্রগতি আরও মসৃণ করতে সমুদ্রের প্রতি শাসকদের আরো মনোযোগ দেয়ার তাগিদ দিয়েছিলেন। ১৯৯৭ সালেও তিনি সমুদ্রকে ব্যবহারের ওপর জোর দেন এবং এই খাতে আমাদের পিছিয়ে থাকার বিষয়টি তুলে ধরেন। এরপরই ওমান সাগরের উপকূলকে সর্বোচ্চ ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়। ওমান সাগরের গুরুত্ব এই সাম্প্রতিক লড়াইয়ে আবারো সবার কাছে স্পষ্ট হয়েছে, কারণ সমুদ্রের যুদ্ধক্ষেত্রের সম্মুখভাগ এবং হরমুজ প্রণালী রক্ষার মূল ভিত্তিই ছিল ওমান সাগর।’ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের তৈরি করা এই আঞ্চলিক উত্তেজনার মাঝে ইরান নিজের সীমানা সুরক্ষায় যে কোনো ছাড় দেবে না, অ্যাডমিরাল সাইয়ারির এই বক্তব্যে তা পুরোপুরি পরিষ্কার হয়ে গেছে। সুত্র নয়দিগন্ত

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Recent Comments

    calendar 2026

    July 2026
    M T W T F S S
     12345
    6789101112
    13141516171819
    20212223242526
    2728293031  
    © All rights reserved © 2019 OnlineChannel
    Theme Customization By onlinechannel.Com