এই অস্ত্র ব্যবহার হলে কী পাল্টা ব্যবস্থা নেয়া হবে তা ঠিক করতে একটি জাতীয় নিরাপত্তা দল তৈরি করেছে হোয়াইট হাউজ। তবে ন্যাটোও রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করে প্রতিক্রিয়া দেখাবে এমন কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট বাইডেন আরও বলেন, রাশিয়াকে প্রধান অর্থনীতি সমৃদ্ধ জি-২০ থেকে বাদ দেয়া উচিৎ এবং ইউক্রেনকে এতে যোগ দিতে দেয়া উচিত। ইউক্রেনের উপর রাশিয়ার আক্রমণের এক মাস পূর্তির দিনে ন্যাটোর এই বৈঠক আয়োজিত হয়। সাংবাদিকরা বাইডেনের কাছে জানতে চান, রাশিয়ার সঙ্গে অস্ত্র-বিরতি করার জন্য ইউক্রেনকে কি তার কোন অঞ্চল ছেড়ে দিতে হবে। তখন বাইডেন জবাবে বলেন, আমারতো মনে হয় না তাদের সেটা করতে হবে, তবে সে সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র ইউক্রেনই নিতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে বাইডেন ঘোষণা করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেন যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষ লক্ষ মানুষের সহায়তায় ১০০ কোটি ডলারেরও বেশি প্রদান করবে। একইসঙ্গে ইউক্রেনের এক লাখ নাগরিককে যুক্তরাষ্ট্রে স্বাগত জানানো হবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি ইউক্রেন ও প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা অব্যাহত রাখা এবং মানবাধিকার সুরক্ষার জন্য ৩২ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে যুক্তরাষ্ট্র।
শুক্রবার ব্রাসেলস থেকে পোল্যান্ড সফরে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পোল্যান্ডে ২১ লাখ ইউক্রেনীয় শরনার্থী আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়া ওই অঞ্চলে মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে যেখানে, সেখানেও সফর করবেন বাইডেন। সুত্র:মানবজমিন
Leave a Reply